৮০ বছরের একটি পুরনো বাড়িতে বিষাক্ত সাপের আস্তানা এই আস্তানা থেকে অনেক কষ্টে অবিনব পদ্ধতিতে এক সাথে অনেক গুলো সাপ উদ্ধার করে রেস্কিউ টিম যা নেট দুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে মুহূর্তেই তুমুল ভাইরাল ভিডিও

সাপ সরীসৃপ নিরীহ প্রাণী, কিন্তু তার বিষ সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। বাংলাদেশে প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে সব বিষাক্ত নয়। তবে কিছু রয়েছে অত্যন্ত বিষাক্ত। যারা শিকার ও আত্মরক্ষার জন্য তাদের

শরীরে উৎপন্ন প্রক্রিয়াকৃত লালা বা সর্পবিষ ব্যবহার করে।

যেমন, ভারতে মূলত চার ধরনের সাপের অ্যান্টিভেনম তৈরি হয় – কোবরা বা গোখরা প্রজাতির সাপ, ক্রেইট বা শঙ্খিনী, রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া

এবং চেরা আঁশযুক্ত ভাইপার। অথচ ভারতে ৬০টির বেশি বিষাক্ত প্রজাতির সাপ রয়েছে। প্রতিটি প্রজাতির সাপের জন্য অ্যান্টিভেনম তৈরি করা খুবই খরচ সাপেক্ষ

এই বিষপ্রয়োগের জন্য তাদের বিশেষভাবে তৈরি এক জোড়া দাঁতও থাকে যা বিষদাঁত নামে পরিচিত। তবে সময়মতো সাপের কামড়ের চিকিৎসা করলে অল্প সময়েই সুস্থ হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশে থাকা সাপের মধ্যে সাত থেকে আট প্রজাতির সাপ অত্যন্ত বিষধর। এদের কামড়ে মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। মূলত দেশের গ্রামাঞ্চলেই সাপের উপদ্রব ও সাপের কামড়ে মানুষের মারা যাওয়ার সংখ্যা বেশি। এছাড়া দেশে ২৩ প্রজাতির সামুদ্রিক সাপও রয়েছে যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের কামড়ে দেয়।

ভিডিও টি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*